কমছেই না হামের ভয়াবহতা, ৪৫১ শিশুর মৃত্যুতে দেশজুড়ে উদ্বেগ

লেখক: আকলিমা আক্তার ইতি
প্রকাশ: ১ মাস আগে

হামে আক্রান্ত হয়ে দেশজুড়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমছেই না। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে কিংবা এর উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে। নতুন করে শত শত শিশু আক্রান্ত হচ্ছে ভাইরাসজনিত এই ছোঁয়াচে রোগে। এমন অবস্থায় দেশজুড়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

হামে আক্রান্ত হয়ে দেশজুড়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমছেই না। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে কিংবা এর উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে। নতুন করে শত শত শিশু আক্রান্ত হচ্ছে ভাইরাসজনিত এই ছোঁয়াচে রোগে। এমন অবস্থায় দেশজুড়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত হামে ৪৫১ জন শিশু মারা গেছে। একই সঙ্গে হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা, তবে সংকট মোকাবিলায় নানা চ্যালেঞ্জের কথাও উঠে আসছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৫১ শিশুর।

এই ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১১ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৪১৬ জন। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ শিশুর। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪০ হাজার ১৭৬ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ৩৬ হাজার ৫৫ শিশু।

উদ্বেগে পুরো দেশ

হামজনিত শিশুমৃত্যু বাড়তে থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ও কভারেজে ঘাটতি থাকলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘বিগত সময়ে শিশুরা টিকা পায়নি, যার কারণে হামের এতো প্রাদুর্ভাব হয়েছে। বিগত সময়ে কেন শিশুরা পায়নি, এটা নিয়ে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। যে দাবিটা মিডিয়ায় বেশি করা হচ্ছে, টিকা কিনতে পারেনি। কথা কিন্তু তা নয়, টিকা আগে থেকে কেনা ছিল।’